বাংলা গল্প, ছড়া ও কবিতার আসর

কৌতুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কৌতুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২২

এক ভদ্রলোকের পাঁচ ছেলে : ভাঙ্গা, বাসি, পচা, মুতে এবং পাংচার


একদিন ওদের বাড়িতে এক অতিথি এলেনl
বাবা::- বসেন বসেনl ভাঙ্গা, চেয়ারটা নিয়ে আয়l
অতিথি::- না না আমি বসবো নাl

বাবা::- আচ্ছা, না বসুন,ভাত খাবেনতোl বাসি, ভাত নিয়ে আয় l
অতিথি::- না না just খেয়ে এসেছি। খাবোনা।

বাবা::- কিছুই খাবেন না, তা হয় না। পচা, দই নিয়ে আয়।
অতিথি::- না না দই খেলে আমার ঠাণ্ডা লেগে যায়। প্লিজ আমি খাবো না।

বাবা::- তা কি হয়? কিছু না হোক অন্তত এক গ্লাস জল তো খান।
মুতে, জল দে।

অতিথি::- আপনি থামুন মশাই!!!
বাবা::- ইশ, আপনি কিছুই খেলেন না, ভালো লাগছে না আমার।
অতিথি::-আমি চললাম, পরে আসবো।
বাবা::- আপনি হেঁটে এসেছেন।আপনাকে কিন্তু আমি হেঁটে যেতে দেবো না। পাংচার, সাইকেলটা নিয়ে আয়।

শনিবার, ১২ জুন, ২০২১


স্বামী তার স্ত্রীর কাছ থেকে 250 টাকা ধার নিল। কিছুদিন পর আবার 250 টাকা নিল। কিছুদিন পর স্ত্রী স্বামীর কাছে তার পাওনা টাকা চাইলো।

স্বামী জিজ্ঞেস করলো কত হয়েছে ? স্ত্রী বলল 4100 টাকা।
কিভাবে - স্বামী জিজ্ঞেস করল?

স্ত্রী খাতায় লিখে ঠিক এভাবেই হিসেব দিল।
2 5 0
+ 2 5 0
-----------------
4 10 0

স্বামী হতবাক হয়ে ভাবতে লাগলো তার স্ত্রী কোন স্কুলে পড়েছে ?

স্বামী বুদ্ধি খাটিয়ে ভেবে দেখল যে তার স্ত্রী যেভাবে গণিত শিখেছে ওকে সেভাবেই শোধ দিতে হবে। সে 100 টাকা দিয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল আর কত পাবে ?

স্ত্রী ঠিক আগের মতো হিসাব করল,
4 1 0 0
- 1 0 0
----------------
4

স্ত্রীকে 4 টাকা দিয়ে বলল হিসাব বরাবর!

দুজনেই এভাবে আনন্দিত হয়ে জীবন অতিবাহিত করতে লাগল। কিন্তু মাঝখান থেকে গণিতের মার্ডার হয়ে গেল।


শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮

স্বামী-স্ত্রীদের নিয়ে মজার কিছু জোকস

স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?
স্বামী: কই, কিছু না তো!
স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?
স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।

………………………………………………………..

স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।

………………………………………………………

মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন—
স্বামী: আমি তো আর এক মাস পর মারা যাব, তাই আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর তুমি সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে কর।
স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার শত্রু। আর তাকে কিনা বিয়ে করতে বলছ তুমি!
স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই তো মোক্ষম সুযোগ, বুঝলে

…………………………………………………………….

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কয়েক দিন ধরে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলেন না। আর যতটুকু বলা প্রয়োজন, তা ইশারায় জানিয়ে দেন।
স্বামী দেখলেন, পরের দিন ভোরে তাঁর ফ্লাইট। তাঁকে উঠতে হবে ভোর পাঁচটায়।
কিন্তু স্ত্রী যদি জাগিয়ে না দেন, তবে কিছুতেই ভোরবেলায় তাঁর ঘুম ভাঙবে না।
কিন্তু তাঁরা কথাও তো বলেন না। কী আর করা!
স্বামী একটা কাগজে লিখে দিলেন, ‘দয়া করে ভোর পাঁচটায় আমাকে জাগিয়ে দেবে।’
কাগজটি টেবিলের ওপর রেখে দিলেন, যাতে স্ত্রী দেখতে পান।
কিন্তু পরের দিন যখন তাঁর ঘুম ভাঙল, তখন সকাল নয়টা বেজে গেছে এবং বিমানও তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে।
তিনি রেগে টং হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাঁকে জাগানো হলো না।
এদিকে স্ত্রীও সমান তেড়িয়া, ‘এত রাগছ কেন? আমি তো তোমার ওই কাগজটিতে লিখে রেখেছি যে এখন ভোর পাঁচটা বাজে, ঘুম থেকে ওঠো।
কিন্তু তুমি তো টেরই পেলে না। আমার কী দোষ?’

……………………………………………………………………

সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
সাইফ: বলিস কী! তারপর?
রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’

…………………………………………………………………

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’
স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।
পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর…’
স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে…শুরু হয়ে গেল।’

………………………………………………………………

স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন—
স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।
আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?
স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।
আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

……………………………………………………………

নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?
স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

বুধবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৮

গুগল'স পিজা

জানুয়ারি ১০, ২০১৮ 0 Comments
গুগল'স পিজা

:হ্যালো ! এটা কি পিজা হাট? - না স্যার, এটা গুগল'স পিজা। : আমি কি তাহলে ভুল নাম্বারে ফোন করেছি?- না স্যার, গুগল দোকানটা কিনে নিয়েছে। ওকে, আমি কি পিজার অর্ডার দিতে পারি?
- স্যার, আপনি সাধারণত যে পিজার অর্ডার দেন আজকেউ কি ঐটাই দিবেন?
: আমি সাধারণত যে পিজার অর্ডার দেই ঐটা আপনি কিভাবে জানেন? - আপনার ফোন নাম্বার অনুযায়ী , বিগত ১৫ বার ১২ স্লাইজ ডাবল চিজ দিয়ে সসেজ পিজা অর্ডার করেছেন : আমি এই বার ও ঐটাই চাই - কিন্তু স্যার আপনার কলেস্টেরল যেহেতু হাই তাই আমি ৮ স্লাইজ ভেজিটেবল পিজা অর্ডার করতে পরামর্শ দিচ্ছি : আমার কলেস্টেরল হাই এইটা আপনি কিভাবে জানেন? -সাবস্ক্রাইবার গাইড থেকে। আমাদের কাছে আপনার গত ৭ বছরের ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আছে : আমি ভেজিটেবল পছন্দ করি না, যেটা চাইছি ঐটাই দেন ।কলেস্টেরল এর জন্য আমি ঔষধ খাই। -কিন্তু আপনিতো নিয়মিত ঔষধ খান না। ৪ মাস আগে লাজ ফার্মা থেকে ৩০ টা ট্যব্লেটের একটা বক্স কিনেছিলেন :আমি অন্য আরেকটা দোকান থেকে বাকি গুলা নিয়েছি -কিন্তু আপনার ক্রেডিট কার্ড তো তা বলছে না :আমি নগদ ক্যাশ দিয়ে কিনেছি - আপনার ব্যাংক স্টেট্মেন্ট অনুযায়ী সে পরিমান টাকা আপনি উঠান নি :আমার অন্য আয়ের উৎস আছে - আপনার ট্যাক্স ফর্মে সে তথ্য নাই :ধুর মিয়া, আপনার পিজার গুষ্টি কিলাই। পিজাই খামু না। গুগল ,ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ , সেলফোন , ইন্টারনেট ছাড়া দ্বীপে চলে যামু যে খানে আমার উপর কেউ এত নজরদারি করবে না -জি স্যার বুঝতে পেরেছি, তার আগে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে , ৫ সপ্তাহ আগে মেয়াদ চলে গেছে।
😂😃😄😅😆

বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭



কৌতুক ১ :-
সার্কাস দলে ছিল এক গাধা। তার সঙ্গে কথা হচ্ছে গৃহস্থের গাধার।

সার্কাসের গাধা বলল, খুব কষ্টে আছি। খেতে পাই না। আবার বকাঝকা খাই।
গৃহস্থের গাধা বলল, তাহলে এই দল ছেড়ে চলে যাও না কেন।

সার্কাসের গাধা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, এখানে কষ্ট থাকলেও একটা আশা আছে। সার্কাসের মালিকের সুন্দরী মেয়ে আছে। সে দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটে। 
মালিক তাকে বলেছে, ঠিকভাবে হাঁট। যদি পড়ে যাস, তাহলে তোকে গাধাটার সাথে বিয়ে দিয়ে দেব। আশায় আশায় আছি, যদি দড়িটা ছেঁড়ে...

কৌতুক ২ :-
একদিন এক লোক ঘোড়ার পিঠে চড়ে যাচ্ছে। শুনতে পেল, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে টাকার বিনিময়ে ডক্টরেট ডিগ্রি পাওয়া যায়। 
সে গেল। টাকা দিল। তাকে পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হলো।

সে ঘোড়ার পিঠে চড়ে ফিরছে। তখন তার মনে হলো আমার ঘোড়াটার জন্যও তো একটা পিএইচডি ডিগ্রি দরকার। সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে গেল।

বলল, এই নিন টাকা। আমার ঘোড়াটাকেও একটা ডিগ্রি দিন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলল, আমরা শুধু গাধাকে পিএইচডি দিই। ঘোড়াকে দিই না।

কৌতুক ৩ :-
একদিন নাসিরউদ্দীন হোজ্জার কাছে একজন এসেছে। 
- মোল্লা সাহেব, আপনার গাধাটাকে ধার দিন।
- হোজ্জা বললেন, আমার তো গাধা নাই।
- কী হয়েছে?
- মারা গেছে।

এই সময় উঠানে গাধা ডেকে উঠল।

পড়শি বলল, ওই যে গাধা ডেকে উঠল।
হোজ্জা বললেন, আমি নিজের মুখে বললাম, সেটা বিশ্বাস করলেন না, আর আপনি একটা গাধার মুখের কথা বিশ্বাস করলেন!

কৌতুক ৪ :-
এক রাজা বেরোবেন শিকারে। তিনি মন্ত্রীকে জিগ্যেস করলেন, আজকের আবহাওয়া কেমন। পথে ঝড়-বৃষ্টি হবে না তো?
মন্ত্রী বললেন, না না, আজ ঝড়-বৃষ্টি হবে না। আবহাওয়া চমৎকার।

কিছুদূর যাওয়ার পরে এক ধোপার সঙ্গে দেখা। ধোপা বলল, রাজামশাই, বেশ তো চলেছেন, কিন্তু সামনে তো ঝড়-বৃষ্টি হবে।

রাজা এগোলেন। ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়লেন। তখন তিনি ওই মন্ত্রীকে বরখাস্ত করে সেই পদে বসালেন ধোপাকে।

ধোপা বলল, রাজামশাই, যখন ঝড়-বৃষ্টি হয়, তখন আমার গাধার কান নড়ে। আমার গাধার কান নড়া দেখে আমি বুঝেছিলাম আজ 
বৃষ্টি হবে।

রাজা তখন ধোপাকে বরখাস্ত করে গাধাটাকে মন্ত্রী বানালেন।

কৌতুক ৫ :-
এক লোক বলল, আমি গাধা কিনব। প্রতিটি গাধা ১০ ডলার।
গ্রামবাসী সবাই খুঁজে খুঁজে গাধা আনল। সে ১০ ডলার দিয়ে গাধা কিনতে লাগল।

এরপর সে বলল, আমি প্রতিটি গাধা ২০ ডলারে কিনব। গ্রামবাসী অনেক খুঁজে আরও কিছু গাধা হাজির করল। 
লোকটা ২০ ডলার দিয়েই কিনে নিল।

এরপর সে বলল, আমি এবার গাধা কিনব ৫০ ডলার করে।
গ্রামে আর গাধা নাই। ক্রেতা বলল, আমি একটু পাশের গ্রাম থেকে ঘুরে আসছি।

এদিকে তার সঙ্গী বলল, আমি ৩৫ ডলার করে গাধা বেচব।
গ্রামবাসী ঘটিবাটি বিক্রি করে ৩৫ ডলারে গাধা কিনে নিল। ক্রেতার সঙ্গীও পালিয়ে গেল। তারা আর ফিরল না।


কৌতুক ৬ :-
একদিন এক গাধা বনের ভেতর দিয়ে হাঁটছিল। সামনে পড়ল এক নেকড়ে।

গাধা তখন আত্মরক্ষার বুদ্ধি বের করল। সে এক পা খুঁড়িয়ে হাঁটতে লাগল।
তারপর নেকড়েকে বলল, আমার পায়ে কাঁটা বিঁধেছে। তুমি যদি কাঁটাটা বের করে দাও তাহলে আমাকে খেয়ে মজা পাবে। তা না 
হলে আমার বাঁকা পা তোমার ভোজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে।

নেকড়ে ভাবল, তাই তো। আচ্ছা দেখি তোমার কোন পায়ে কাঁটা বিঁধেছে।
নেকড়ে কাছে এসে মাথা নত করতেই গাধা তাকে আঘাত করল।

নেকড়ে ব্যথা পেয়ে চলে যেতে যেতে বলল, আসলে আমি তো ডাক্তার নই, আমার ডাক্তারি করতে যাওয়া উচিত হয় নাই।

শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৭


কোলকাতার বাঙা‌লি‌দের কৃপণতা নি‌য়ে মজার অর্ধ ডজন জোকস্ (কৌতুক):

১। 
ক্রেতাঃ দাদা মুরগির ওই ঠ্যাঙ এর পাস থেকে দুসো গ্রাম দিন তো 
বিক্রেতাঃ সেকি দাদা বাড়িতে আজ উতসব নাকি...পুরো দুসো গ্রাম মুরগি !!
ক্রেতাঃ সেইরকম ই দাদা, দুই জামাই আসবে আজগে...ওদের দুজনের জন্য একসো গ্রাম আর আমাদের বাকি চারজনের জন্য পুরো একসো গ্রাম.....

২। 
১ম বন্ধুঃ কিরে আজগে বড় দাদার জন্নে মেয়ে দেগতে গেচিলি ! তা কি খাওয়ালো ওকানে ? 
২য় বন্ধুঃ মাইরি খেয়েচি সেরাম আজগে ! ১ম বন্ধুঃ বলনা কি খেলি ?
২য় বন্ধুঃ প্রায় মুরগীই খেয়েচি দাদা, মাইরি যা টেস্ট না !
১ম বন্ধুঃ প্রায় মুরগী ! সে আবার কি গো !
২য় বন্ধুঃ অ্যাঁরে বুঝলি না !! ডিম খেতে দিয়েচিলো । গোটা আদ্দেক !

৩। 
এক লোক গেছে তার বোনের বাসায়। গিয়ে দরজায় নক করল। প্রথমবার কেউ খুলল না। আবার নক।
কোন সাড়া-শব্দ নেই। তারপরেও সে আবার নক করল। কিন্তু না, এবারও দরজা খোলার নাম নেই। 
শেষমেশ আর না পেরে বলল - "দিদি, আমি খেয়ে এসেচি তো।" 
দিদিঃ ওরে দুষ্টু, তা আগে বলবি নে?

৪। 
এক ব্যক্তি কোলকাতায় গিয়ে হোটেলে মালপত্র রেখে বন্ধুর সাথে তার মামার বাড়ী গেছে দেখা করতে,মনে ইচ্ছা ছিলো ঐ বাড়ীতে ওঠার । 
তো মামা বলে উঠলেন ”এইবারতো হোটেলে উঠলে পরেরবার আমাদের এখানে উঠো কিন্তু”

৫। 
অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে দাদা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। ভীষন মাথা ব্যাথা করছে। তাই বৌদিকে ডেকে বললেন
-- হ্যা গো ট্যাঁপার মা, পাশের বাসার ওদের কাছ থেকে একটু টাইগার বাম নিয়ে আস না । 
খানিকপর বৌদি রাগে গজগগ করতে করতে ফিরে এলেন। বললেন
-- মা গো , কি কিপটের কিপটে ? এক্টুখানি টাইগার বাম, তাও দিল না ??
একথা শুনে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দাদা বললেন
-- কি আর করবে ট্যাঁপার মা, যাও আলমারি থেকে আমাদের টাইগার বামটাই বের করে আন।

৬। 
বেশ আগের কথা। দাদার বাড়িতে কোন এক কারনে একজন মেহমান এসেছেন এবং কিভাবে জানি না এক রাত দাদার বাড়িতে থেকেওছেন। পরদিন ভোর বেলায় ঘুম থেকে উঠে মেহমান দাঁত মাজার জন্য নিজের ব্যাগ থেকে একটা টুথপেস্ট বের করেছেন । এই না দেখে দাদা সেখানে হাজির। বেশ কতক্ষন লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে দাদা জিজ্ঞেস করলেন 
-- আজ্ঞে দাদা, বলছিলুম কি ... আপনার হাতে ওটা কি, টুথ পেস্ট নাকি ?
মেহমান ততক্ষনে যা বোঝার বুঝে গেছেন , তবু ভদ্রতার খাতিরে বললেন
-- হ্যা দাদা , আপনাকে দেব একটু ?
এই শুনে কলকাতার দাদা হাঁক ছাড়লেন 
-- ওরে রমেশ , সুরেশ , ট্যাপা , মহেশ ... কে কোথায় আছিস ? যার যার আঙ্গুল নিয়ে এদিকে আয় , আজকে পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজবি।


সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

পাকিস্তানি সেনাদের অহংকার, নির্বুদ্ধিতা ও ভীরুতা নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক মজার সব ঘটনা ও কৌতুক। আজ পর্ব ৫ -

১.
প্রথম পাক সেনা: ইনজামাম, আমার মনে হয় ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধারা ঢুকেছে। এই ইনজামাম, তুই কি জেগে আছিস?
দ্বিতীয় পাক সেনা: না, আমি জেগে নাই।
২.
পাক সেনা: স্যার, মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের ঘিরে ফেলেছে। আমরা কি এখন দৌড়ে পালাবো?
পাক অফিসার: কী দরকার মরার আগে দৌড়ে ক্লান্ত হওয়ার?
৩.
পাকিস্থানি সেনা: দোস্ত, আমার মনে হয় একটা চশমা নিতে হবে। আমি তো কোনো মুক্তিযোদ্ধা দেখতে পাচ্ছি না।
মুক্তিযোদ্ধা: ঠিক বলেছিস, তোর চশমা লাগবে। তোর দোস্ত এখানে নাই... তুই এখন মুক্তিবাহিনীর ঘাঁটিতে।
৪.
পাকিস্থানি কমান্ডার: মুনায়েম, তোমার হাতে ওটা কী?
মুনায়েম: বন্দুক স্যার।
পাকিস্তানি কমান্ডার: না মুনায়েম, এটা বন্দুক নয়। এটা তোমার ইজ্জত, তোমার গর্ব, এটা তোমার মা হয় মা! কামরান, তোমার হাতে ওটা কী?
কামরান: স্যার, এটা মুনায়েমের ইজ্জত, মুনায়েমের গর্ব, স্যার এটা আমার আন্টি হয়, আন্টি!
৫.
হরহামেশা মার্শাল ল’র দেশ পাকিস্তানে তখন সান্ধ্য-আইন চলছে। সন্ধ্যা ছ’টায় কারফিউ শুরু। পৌনে ছ’টা বেজে গেছে, ত্রস্তপায়ে মানুষজন ছুটছে গন্তব্যে। সেনা চেকপোস্টের এক সৈনিক হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই বাড়ির পথে দৌড়ুতে থাকা একজনকে গুলি করে মেরে ফেলল।
সঙ্গী সৈনিকরা হতবাক। ‘তুই এটা কি করলি নালায়েক! লোকটা তো আমাদের কোনো উসকানিই দেয়নি। আর কারফিউ শুরুর এখনো পাক্কা পনের মিনিট বাকি? কোনো কারণ ছাড়াই জ্বলজ্যান্ত একজন মানুষকে মেরে ফেললি! এটা তো একাত্তরের পূর্ব পাকিস্তানও না। তুই মানুষ না অন্য কিছু?’
খুনি সৈনিকের ঠাণ্ডা জবাব, 'আমি লোকটাকে চিনি। তার বাড়ি এখান থেকে কম করে হলেও এক ঘণ্টার পথ। এই ১৫ মিনিটে বেটা কোনোমতেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতো না। তাই... আগেভাগেই কাজ সেরে দিলাম!' কথা শেষ করে সদ্য গুলি করা রাইফেলটি পরিষ্কারে মনোযোগ দিল সে।

রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭



পাকিস্তানি সেনাদের অহংকার, নির্বুদ্ধিতা ও ভীরুতা নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক মজার সব ঘটনা ও কৌতুক। আজ পর্ব  -

১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় তরুণ এক পাকিস্থানি পাইলটকে তার প্রশিক্ষক শিখিয়ে দিচ্ছিলেন, কী করে যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করতে হয়, কী করে মিসাইল ছুড়তে হয়, কিভাবে রাডার ফাঁকি দিতে হয় ইত্যাদি।তরুণ পাইলট: কিন্তু,স্যার, আমি ল্যান্ড করব কিভাবে?
প্রশিক্ষক: ও নিয়ে তোমাকে চিন্তা করতে হবে না।সেটা বাংলাদেশি গেরিলারাই করিয়ে নেবে...
২.
প্রথম পাকিস্তানি অফিসার: পাকিস্থানি আর্মি ট্রেনিংয়ে প্রথমে কী শেখানো উচিত বলে আপনি মনে করেন?
দ্বিতীয় পাকিস্তানি অফিসার: প্রথমেই শেখাতে হবে কিভাবে বিভিন্ন ভাষায় আত্নসমর্পন করা যায়।
৩.
পাক অফিসার: কমান্ড মানতে হবে; তা না হলে গুলি করে ঘিলু বের করে ফেলব!!
পাক সেনা: তাই করেন স্যার! ঘিলু ছাড়া ও তো পাকিস্তান আর্মিতে কাজ করা যায় !!
৪.
১ম পাক সেনা: মুক্তিদের ভয়ে সবকিছু ভুলে যাচ্ছি । কিভাবে এই রোগ সারতে পারে বলতে পারেন?
২য় পাক সেনা: কবে থেকে সবকিছু ভুলে যাচ্ছ?
১ম পাক সেনা: কে ভুলে যাচ্ছে?
৫.
পাক সেনা: স্যার আপনি পথের মাঝে এভাবে শুয়ে শুয়ে আছেন যে?
পাক অফিসার: শুয়ে আছি কি সাধে? গুলি খেয়েছি! বাঁচার আশা শেষ!
পাক সেনাঃ হারাম**! বাই*দ কোথাকার!!! তাই বলে পথ আটকে শুয়ে থাকতে হবে?

রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৭



পাকিস্তানি সেনাদের অহংকার, নির্বুদ্ধিতা ও ভীরুতা নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক মজার সব ঘটনা ও কৌতুক। আজ পর্ব ৩ -

১.
একদিন সকালে পাকিস্তানি সেনারা তাদের প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে গিয়ে জানতে পারল, আজকে বন্দুক চালনার প্র্যাকটিস হবে না। সেনারা খুশি মনে তাঁবুতে ফিরে যাচ্ছিল। কিন্তু একটু পরেই তারা শুনল, রোজকার মতো তাদের শারীরিক ফিটনেসের প্র্যাকটিস হবে। শুনে এক সেনা বলল, ‘দেখো, বাঙালি সেনাদের উদ্দেশে আমরা গুলি ছুড়তে পারব কি না, তা নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। কিন্তু, ওরা গুলি করলে দৌড়াতে পারব কি না, তা নিয়ে সবাই চিন্তিত।’
২.
একজন পাকিস্তানি কোস্টগার্ডের কাছে একটি মেসেজ এল।
‘হ্যালো! হ্যালো! আমরা আমাদের একটি বিমানের সঙ্গে সব যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছি। দয়া করে আপনি আরেকটি প্লেন পাঠিয়ে ওটাকে খুঁজে বের করার ব্যবস্থা করুন।’
‘বিমানটিকে সর্বশেষ কখন, কোথায় দেখা গেছে?’
‘এটা বলা যাবে না। সিক্রেট।’
৩.
এক পাকিস্তানি জওয়ান গেছে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। কোনো কারণে সে তার হাত দুটো মাথার ওপর তুলতে পারছিল না। ডাক্তার বললেন, ‘সমস্যা নেই। তুমি পাস। আত্মসমর্পণের আগে তোমাকে আর হাত তুলতে হবে না।’
৪.
পাকিস্তানি আর্মি ক্যাম্পের সামনে একটি বুলেটিন বোর্ডে কিছু নামের তালিকা। এর শেষে লেখা—‘উল্লিখিত জওয়ানদের সদাচরণের জন্য সাপ্লাই রুমে সকাল নয়টায় পুরস্কৃত করা হবে। যথাসময়ে কেউ উপস্থিত না থাকলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৫.
একজন পাকিস্তানি সেন্ট্রি সবে নিয়োগ পেয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, স্টিকার ছাড়া কোনো গাড়ি যেন ঢুকতে না দেয় এবং কেউ জোরপূর্বক ঢুকতে চাইলে তাকে যেন গুলি করা হয়। তো একদিন সেই সেন্ট্রি পাহারায় থাকাকালীন এক জেনারেল গাড়ি নিয়ে গেট দিয়ে ঢুকতে চাইলেন। জেনারেলের গাড়িতে স্টিকার নেই।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আপনি ঢুকতে পারবেন না।
জেনারেল: আমি জেনারেল খান।
সেন্ট্রি: সরি জেনারেল! আপনি ঢুকতে পারবেন না।
জেনারেল: ড্রাইভার, গাড়ি ঢোকাও।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আমি কিন্তু গুলি করতে বাধ্য হব।
জেনারেল: ড্রাইভার, গাড়ি ঢোকাও।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আসলে আমি চাকরিতে নতুন এসেছি তো, তাই অনেক কিছু জানি না। আপনাকে গুলি করব, নাকি আপনার ড্রাইভারকে?

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৭


পাকিস্তানি সেনাদের অহংকার, নির্বুদ্ধিতা ও ভীরুতা নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক মজার সব ঘটনা ও কৌতুক। আজ পর্ব  -

১.
পাকিস্তানি এক ক্যাপ্টেন প্রায় নাচতে নাচতে এসে জেনারেলকে বললেন—
: স্যার, আমি এইমাত্র এমন একটা জিনিস আবিষ্কার করেছি, যা ৫০ জন মুক্তিসেনার সঙ্গে লড়তে সক্ষম।
জেনারেল: কী সেটা?
: ২০০ জন পাকসেনা।
২.
জেনারেল ইয়াহিয়া আসছেন সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট পরিদর্শনে। মূল ফটকের পাহারায় আছে এক সেন্ট্রি।
ক্যাপ্টেন: জেনারেল এলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবে।
সেন্ট্রি: ইয়েস স্যার।
এক ঘণ্টা পর—
ক্যাপ্টেন: জেনারেল কি এসেছেন?
সেন্ট্রি: নো স্যার।
দুই ঘণ্টা পর—
ক্যাপ্টেন: জেনারেল কি এসেছেন?
সেন্ট্রি: নো স্যার।
অবশেষে তিন ঘণ্টা পর জেনারেল ইয়াহিয়া এলেন।
সেন্ট্রি: ফাজিল কোথাকার! কোথায় ছিলি তুই এতক্ষণ? ক্যাপ্টেন তোকে খুঁজছে।
৩.
পাকিস্তানি নৌপ্রধান: তা, তোমার সেনারা কেমন?
সেনাপ্রধান: ওরা অনেক সাহসী।
নৌ: আমি দেখতে চাই।
সেনাপ্রধান এক জওয়ানকে ডেকে বললেন, ‘ওই যে ট্যাংকটা আসছে, ওটাকে গায়ের জোরে থামাও।’
‘পাগল নাকি!’ বলে জওয়ানটি চলে গেল।
‘তুমি যে বলেছিলে ওরা অনেক সাহসী?’ নৌপ্রধান বললেন।
সেনাপ্রধান: কজন জওয়ান জেনারেলের সঙ্গে এভাবে কথা বলতে পারবে?
৪.
একজন পাকিস্তানি নতুন কর্নেল তার নতুন অফিসে এসেছেন। একজন সেনা এসে দরজায় নক করতেই কর্নেল টেলিফোনে কথা বলতে শুরু করলেন, ‘ইয়েস প্রাইম মিনিস্টার, ইয়েস, আমি এখনই আসছি।’
এরপর সেনাটির দিকে তাকিয়ে কর্নেল জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী চাই?’
সেনা: স্যার, আমি আপনার টেলিফোনটা ঠিক করতে এসেছি।
৫.
এক পাকিস্তানি সার্জেন্ট ২০ জন সেনাসদস্যের একটি দলের উদ্দেশে বললেন, ‘আমি ঠিক করেছি, তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে অলস যে, তাকে সবচেয়ে সহজ কাজটা দেব। কে সবচেয়ে অলস? ১৯ জন সদস্যই হাত তুলল। সার্জেন্ট হাত না তোলা সদস্যটিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি হাত তুলছ না কেন?’
সৈন্য: স্যার, হাত তুলতে কষ্ট হয়।

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৭



পাকিস্তানি সেনাদের অহংকার, নির্বুদ্ধিতা ও ভীরুতা নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক মজার সব ঘটনা ও কৌতুক। আজ পর্ব  -

১.


মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া সাবেক এক পাকিস্তানি সেনা তার নাতির কাছে যুদ্ধের স্মৃৃতি রোমন্থন করছিল—
নাতি: দাদু, যুদ্ধের সময় তুমি তো একজন সেন্ট্রি ছিলে। রাতে পাহারা দিতে তোমার ভয় করত না?
দাদু: মাঝেমধ্যে করত।
নাতি: কখন?
দাদু: যতক্ষণ না আমি ঘুমিয়ে পড়তাম।

২.
ইয়াহিয়ার সেনারা কি ডগ স্যান্ডউইচ খেত?
—না। পাউরুটি তাদের সহ্য হতো না।

৩.
একদিন পাকিস্তানি সেনাক্যাম্পের সামনে একটা ছোট্ট বাঙালি ছেলে একটা ছাগল চরাচ্ছিল। খানসেনারা ভাবল, ওর সঙ্গে একটু মজা করা যাক। একজন সেনা বলল, ‘কি হে, নিজের ভাইকে এত জোরে জোরে পেটাও, এত নির্দয় কেন তুমি?’
ছেলেটা বলল, ‘কী করব? না পেটালে তো এত দিনে খানসেনাদের দলে গিয়ে ভিড়ত।’

৪.
বাংলাদেশি সেনাদের সঙ্গে গুলিবিনিময়কালে একবার সব পাকিস্তানি সেনা দৌড়ে পালাতে লাগল। হতভম্ব জেনারেল চিত্কার করে বললেন, ‘যাও সবাই, আবার যার যার পজিশনে ফিরে যাও। তোমরা দৌড়াচ্ছ কেন?’
‘কারণ, আমরা উড়তে পারি না।’

৫.
জেনারেল ইয়াহিয়া রাগান্বিত হয়ে এক সেনাকে বরখাস্ত করে দিয়ে বললেন,
-‘আমি নিশ্চিত, আর্মি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর তুমি আমার মৃত্যু কামনা করবে, যাতে করে তুমি আমার কবরের ওপর থুথু নিক্ষেপ করতে পারো।’
সৈন্যটি বলল, ‘না স্যার। বরখাস্ত হওয়ার পর আমি আর লাইনে দাঁড়াতে চাই না।’