পাকিস্তানি সেনাদের অহংকার, নির্বুদ্ধিতা ও ভীরুতা নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক মজার সব ঘটনা ও কৌতুক। আজ পর্ব ৩ -
১.
একদিন সকালে পাকিস্তানি সেনারা তাদের প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে গিয়ে জানতে পারল, আজকে বন্দুক চালনার প্র্যাকটিস হবে না। সেনারা খুশি মনে তাঁবুতে ফিরে যাচ্ছিল। কিন্তু একটু পরেই তারা শুনল, রোজকার মতো তাদের শারীরিক ফিটনেসের প্র্যাকটিস হবে। শুনে এক সেনা বলল, ‘দেখো, বাঙালি সেনাদের উদ্দেশে আমরা গুলি ছুড়তে পারব কি না, তা নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। কিন্তু, ওরা গুলি করলে দৌড়াতে পারব কি না, তা নিয়ে সবাই চিন্তিত।’
২.
একজন পাকিস্তানি কোস্টগার্ডের কাছে একটি মেসেজ এল।
‘হ্যালো! হ্যালো! আমরা আমাদের একটি বিমানের সঙ্গে সব যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছি। দয়া করে আপনি আরেকটি প্লেন পাঠিয়ে ওটাকে খুঁজে বের করার ব্যবস্থা করুন।’
‘বিমানটিকে সর্বশেষ কখন, কোথায় দেখা গেছে?’
‘এটা বলা যাবে না। সিক্রেট।’
একজন পাকিস্তানি কোস্টগার্ডের কাছে একটি মেসেজ এল।
‘হ্যালো! হ্যালো! আমরা আমাদের একটি বিমানের সঙ্গে সব যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছি। দয়া করে আপনি আরেকটি প্লেন পাঠিয়ে ওটাকে খুঁজে বের করার ব্যবস্থা করুন।’
‘বিমানটিকে সর্বশেষ কখন, কোথায় দেখা গেছে?’
‘এটা বলা যাবে না। সিক্রেট।’
৩.
এক পাকিস্তানি জওয়ান গেছে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। কোনো কারণে সে তার হাত দুটো মাথার ওপর তুলতে পারছিল না। ডাক্তার বললেন, ‘সমস্যা নেই। তুমি পাস। আত্মসমর্পণের আগে তোমাকে আর হাত তুলতে হবে না।’
এক পাকিস্তানি জওয়ান গেছে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। কোনো কারণে সে তার হাত দুটো মাথার ওপর তুলতে পারছিল না। ডাক্তার বললেন, ‘সমস্যা নেই। তুমি পাস। আত্মসমর্পণের আগে তোমাকে আর হাত তুলতে হবে না।’
৪.
পাকিস্তানি আর্মি ক্যাম্পের সামনে একটি বুলেটিন বোর্ডে কিছু নামের তালিকা। এর শেষে লেখা—‘উল্লিখিত জওয়ানদের সদাচরণের জন্য সাপ্লাই রুমে সকাল নয়টায় পুরস্কৃত করা হবে। যথাসময়ে কেউ উপস্থিত না থাকলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পাকিস্তানি আর্মি ক্যাম্পের সামনে একটি বুলেটিন বোর্ডে কিছু নামের তালিকা। এর শেষে লেখা—‘উল্লিখিত জওয়ানদের সদাচরণের জন্য সাপ্লাই রুমে সকাল নয়টায় পুরস্কৃত করা হবে। যথাসময়ে কেউ উপস্থিত না থাকলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৫.
একজন পাকিস্তানি সেন্ট্রি সবে নিয়োগ পেয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, স্টিকার ছাড়া কোনো গাড়ি যেন ঢুকতে না দেয় এবং কেউ জোরপূর্বক ঢুকতে চাইলে তাকে যেন গুলি করা হয়। তো একদিন সেই সেন্ট্রি পাহারায় থাকাকালীন এক জেনারেল গাড়ি নিয়ে গেট দিয়ে ঢুকতে চাইলেন। জেনারেলের গাড়িতে স্টিকার নেই।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আপনি ঢুকতে পারবেন না।
জেনারেল: আমি জেনারেল খান।
সেন্ট্রি: সরি জেনারেল! আপনি ঢুকতে পারবেন না।
জেনারেল: ড্রাইভার, গাড়ি ঢোকাও।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আমি কিন্তু গুলি করতে বাধ্য হব।
জেনারেল: ড্রাইভার, গাড়ি ঢোকাও।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আসলে আমি চাকরিতে নতুন এসেছি তো, তাই অনেক কিছু জানি না। আপনাকে গুলি করব, নাকি আপনার ড্রাইভারকে?
একজন পাকিস্তানি সেন্ট্রি সবে নিয়োগ পেয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, স্টিকার ছাড়া কোনো গাড়ি যেন ঢুকতে না দেয় এবং কেউ জোরপূর্বক ঢুকতে চাইলে তাকে যেন গুলি করা হয়। তো একদিন সেই সেন্ট্রি পাহারায় থাকাকালীন এক জেনারেল গাড়ি নিয়ে গেট দিয়ে ঢুকতে চাইলেন। জেনারেলের গাড়িতে স্টিকার নেই।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আপনি ঢুকতে পারবেন না।
জেনারেল: আমি জেনারেল খান।
সেন্ট্রি: সরি জেনারেল! আপনি ঢুকতে পারবেন না।
জেনারেল: ড্রাইভার, গাড়ি ঢোকাও।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আমি কিন্তু গুলি করতে বাধ্য হব।
জেনারেল: ড্রাইভার, গাড়ি ঢোকাও।
সেন্ট্রি: সরি স্যার! আসলে আমি চাকরিতে নতুন এসেছি তো, তাই অনেক কিছু জানি না। আপনাকে গুলি করব, নাকি আপনার ড্রাইভারকে?


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন